Text size A A A
Color C C C C

ডিম, দুধ, মাংস প্রাণীজ প্রোটিনের উৎস

ডিম,দুধ,মাংসের খাদ্যমান ও পুষ্টিমান সম্পর্কে মানুষকে অবহিত করা, স্বাস্থ্যসম্মতভাবে এসব উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ও ভোক্তার দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় ডিম-দুধ-মাংসের অন্তর্ভূক্তি উৎসাহিত করাই প্রাণিসম্পদ বিভাগের অন্যতম কাজ। এছাড়া একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় মেধাবী বাংলাদেশ গড়তে ডিম-দুধ-মাংস খাওয়ার বিকল্প নেই।
 

ব্যানারের এই ছবিটির মাধ্যমে মানুষ এ সকল খাদ্যের প্রতি আগ্রহান্বিত হবেন এবং গুনাগুন সম্পর্কে জানতে পারবেন। মানুষের দেহকোষ আমিষ পুষ্টি উপাদান দ্বারা গঠিত। ক্ষয়প্রাপ্ত কোষ গঠন ও নবায়নের জন্য আমিষ প্রয়োজন হয়। আমিষ শারীরিক বৃদ্ধি ঘটায়।

ভেড়ার মাংসে জিংক এবং আয়রনের পরিমান বেশী যা বাচ্চাদের শারীরিক গঠন বৃদ্ধি,পুর্নগঠন এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তাছাড়া ভেড়ার মাংসে কারনিটাইন নামক আমিষ ফেটি এসিড থেকে শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে।
 

গরুর মাংসে আমিষের পরিমান ২২ শতাংশ,ছাগলের মাংসে আমিষের পরিমান ২২ শতাংশ,ভেড়ার মাংসে আমিষের পরিমান ২৩ শতাংশ। এছাড়াও মুরগীর ডিমে আমিষের পরিমান ১৩.৩ শতাংশ,রাজহাঁসের ডিমে আমিষের পরিমান ১৩.৫ শতাংশ। দুধে যে সকল উপাদান আছে তার একটি তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হ’লঃ-

 

Milk Composition Analysis

Constituents

 

Cow

Goat

Sheep

Buffalo

Protein

grm

3.2

3.1

5.4

4.5

Fat

grm

3.9

3.5

6

8

Carbohydrate

grm

4.8

4.4

5.1

4.9

Energy

K cal

K j

66

275

60

253

95

396

110

463

Sugars (Lactose)

grm

4.8

4.4

5.1

4.9

Fatty Acide-Saturated Monounsaturated Polyunsaturated

grmgrm grm

2.41.1

0.1

2.30.8

0.1

3.81.5

0.3

4.21.7

0.2

Cholesterol

mg

14

10

11

8

Calcium

iu

120

100

170

195

জিডিপি’তে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান ২.৭৯%। প্রাণীজ আমিষের প্রায় ৫০% প্রাণিসম্পদ সাব-সেক্টর থেকে আসে। তাছাড়া আমাদের মোট রপ্তানী আয়ের ৪.৩১% চামড়া এবং চামড়াজাত পণ্য রপ্তানী মাধ্যমে অর্জিত হয়। আমাদের জনসংখ্যার প্রায় ২০% প্রত্যক্ষ এবং ৫০% পরোক্ষভাবে প্রাণিসম্পদ খাতের উপর নির্ভরশীল।